ক্যাম্পাস

চট্টগ্রাম ও আমি

 

এই গল্পটা যখন লিখতে বসেছিলাম, তখন আমি চট্টগ্রাম শহর থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে। তারপরও খোলা আকাশের নিচে বসে জায়গাটার সাথে কিছু স্মৃতি রয়ে গেছে আমার আর সেই স্মৃতিচারণ না করলেই নয়।

২১শে ফেব্রুয়ারি ২০২২! কোন এক নিদিষ্ট কারণে সেইবার আমার গন্তব্য নির্ধারণ হয়েছিল বন্দরনগরী চট্টগ্রামে। এইদিকে সেইখানে যাওয়ার ঠিক কয়েকদিন পর থেকে শুরু হয়েছিলো একই জায়গায় বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তানের মধ্যকার তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। বাহ! এই যেন দারুণ এক খবর। এইসব যাই হোক চট্টগ্রামে আসছি মানে শহরের সব অলিগলি ঘুরাঘুরি করতে হবে,, কথা বলতে হবে এই অঞ্চলের মানুষদের সাথে… তবে এইখানের প্রকৃতির সাথে যেন আমার বহুকাল আগের চেনা কতো মধুর আর সুন্দর ধ্বনি ভেসে আসছিল চারদিক থেকে….

তবে এইসব কিছুর চেয়েও ভালো লাগার বিষয় হল  এখানে সবাই যেন একে অপরের কত আপন, কত চেনা! এখানে সবাই স্বাধীন। সবার যেমন আছে একটা নিজস্ব আঞ্চলিক ভাষা, তেমনই আছে সেই ভাষায় কথা বলতে পারার মজা। অথচ আমি চাঁটগায় যাওয়ার আগে ভেবেছিলাম সবাই বোধয় এইখানে চট্টগ্রামের ভাষা ছাড়া কথা বলে না। পরে বুঝলাম, এটি ছিল অবাস্তব কল্পনা।

চট্টগ্রামে আমার বাসার সামনের রাস্তায় সেই কি কোলাহল! ছোট দোকান থেকে বড় দোকান সব আছে এইখানে আর প্রত্যেকটা দোকানে থাকে প্রতিনিয়ত ভীড়। এইদিকে রাস্তা সোজা একটু পূর্বে গেলে দেখা যায় মানুষের বেশ সমাগম। একটু দূরে আছে হিন্দুদের মন্দির আর মুসলিমদের জন্য মসজিদ। সবকিছু মিলিয়ে সুখী স্বপ্নের মতো দিন কাটছিল আমার…

তবে এইসব কিছুর মাঝে দালানকোঠা আর কলকারখানার বর্জ্য, চারদিকের দুর্গন্ধে কয়েকদিনে শরীরটা খারাপ হয়ে গিয়েছিলো। এইদিকে সেইখানকার খাবার-দাওয়ার একটু সমস্যা ছিলো। কারণ বাহিরের খাবার খেতে তেমন ভালো লাগতো না…তারপর ও সকলের সাথে মানিয়ে অভ্যাস করে নিতে হয় তা…

গল্পটির শুরু চট্টগ্রামের বাইরে হলেও গল্পটা শেষ করেছি চট্টগ্রামে এসে। স্বপ্ন সত্যিই করার লক্ষ্য নিয়ে আবার ফিরে আসা এই ব্যস্ত নগরীতে।

আকাশ দাশ সৈকত

শিক্ষার্থী, নিজামপুর সরকারি কলেজ

ক্যাম্পাস জয়গান

মন্তব্য লিখুন

Follow us

Don't be shy, get in touch. We love meeting interesting people and making new friends.