ক্যাম্পাস

বিশেষ সংখ্যাঃ জাগো নারী জাগো বহ্নি শিখা

নারী কখনো মা কখনও বোন আবার কখনও স্ত্রী। কথায় তো আছে, সংসার সুখের হয় রমনীর গুনে। কিন্তু এ রমণীর গুণগ্রাহী আমরা কয়জন!

শিশুর প্রথম শিক্ষক হচ্ছেন তার মা। তিনিই শিশুর বিকাশে প্রধান মাধ্যম। নেপলিয়নের কথায় আসি।– “তুমি আমাকে একজন শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাকে শিক্ষিত জাতি দেব।” অতএব বোঝাই যাচ্ছে একজন নারী জাতির গঠনে কত গুরুপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

কিন্তু আমাদের দেশে নারীদের ঘর বন্দী করে রাখার চেষ্টা করা হয়। কখনও কখনও তাদের উপর করা হয় অমানষিক নির্যাতন। নারী হচ্ছে আমাদের মোট জণগোষ্ঠীর অর্ধেক। এ অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে ঘরবন্দী করে উন্নয়ন কখনও সম্ভব না।

তবে এখন নারীরা ঘর থেকে বেরিয়ে আসছেন, আত্মপরিচয়ে পরিচিত হতে। শুধু কারও মা-কারও বোন- কারও স্ত্রী হয়ে বাঁচতে তাঁরা আর চান না। তাঁদের মধ্যে কেউ ডাক্তার কেউ ইঞ্জিনিয়ার কেউ বা ব্যবসায়ী হচ্ছেন। আমরাও সর্বাত্মক সহযোগীতার সাথে সাথে প্রত্যাশা করি যে, গৃহবন্দী না থেকে তাঁরা বের হয়ে আসবেন, সমাজে-রাষ্ট্রের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন। সকল নারী বেঁচে থাকুক মানুষ হিসেবে, নারী দিবসে এই কামনাই করি। মধ্যযুগের মত বন্দী না থেকে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখুক। সকল নারীকে আবারও নারী দিবসের শুভেচ্ছা জানাই।
“জাগো নারী জাগো, বহ্নিশিখা!”

রকিবুল হাসান
শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ

ক্যাম্পাস জয়গান

মন্তব্য লিখুন

Follow us

Don't be shy, get in touch. We love meeting interesting people and making new friends.